পাবনা জেলার সকল তথ্য (যে কোন পরিক্ষার জন্য)

পাবনা জেলা পরিচিতি

পাবনা জেলা পরিচিতি

 

পাবনা জেলা কোন নদীর তীরে অবস্থিতঃ ইছামতি ।

পাবনা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় কবেঃ ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দের ১৬ অক্টোবর

পাবনা জেলার আয়তন কতঃ ২,৩৭১,৫০ বর্গ কিলোমিটার।

পাবনা জেলার সীমানাঃ উত্তরে নাটোর ও সিরাজগঞ্জ, দক্ষিণে কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ি জেলা,পূর্বে মানিকগঞ্জ জেলা ও যমুনা নদী এবং পশ্চিমে নাটোর ও কুষ্টিয়া জেলা ।

পাবনা জেলার ভৌগোলিক অবস্থা্নঃ২৩৪৮ হতে ২৪°৪৭’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°২ হতে ৮৯°৫০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ ।

পাবনা জেলার বার্ষিক গড় তাপমাত্রা কতঃসর্বোচ্চ ৩৩.৯° সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ৯.৬° সেলসিয়াস।

পাবনা জেলার বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত কতঃ ১৮৭২ মিলিমিটার।

পাবনা জেলায় উপজেলা কতটিঃ ৯টি; আটঘরিয়া, বেড়া, ভাংগুড়া, চাটমোহর, ফরিদপুর, ঈশ্বরদী, পাবনা সদর, সাঁথিয়া ও সুজানগর।

পাবনা জেলায় থানা কতটি ও কি কিঃ ১১টি; আটঘরিয়া, বেড়া, ভাংগুড়া, চাটমোহর, ফরিদপুর, ঈশ্বরদী, পাবনা সদর, সাঁথিয়া, সুজানগর, আমিনপুর ও আতাইকুলা ।

পাবনা জেলায় পৌরসভা কতটি ও কি কিঃ ৯টি; আটঘরিয়া, বেড়া, ভাংগুড়া, চাটমোহর, ফরিদপুর, ঈশ্বরদী, পাবনা সদর, সাঁথিয়া ও সুজানগর ।

পাবনা জেলায় ইউনিয়ন কতটিঃ ৭৩টি।

পাবনা জেলার পোস্ট কোড কতঃ ৬৬০০।

পাবনা জেলার এন ডব্লিউ ডি কোডঃ ০৭৩১

ঢাকা থেকে পাবনা জেলার দূরত্ব কতঃসড়ক পথে ১৬১ কি. মি. ও রেলপথে ২৮৭ কি.মি. ।

পাবনা জেলার জনসংখ্যা কতঃ ২৫,২৩,১৭৯ জন (২০১১ খ্রিস্টাব্দের আদমশুমারী অনুযায়ী)

পাবনা জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব  কতঃ ১,১০০ জন (প্রতি বর্গ কি.মি.) ।

পাবনা জেলার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কতঃ ১.৪৭%

পাবনা জেলার শিক্ষার হার কতঃ৪৬.৭%

পাবনা জেলার প্রধান ফসল কি কিঃ ধান, পাট, গম, আখ, সরিষা, রসুন, পেঁয়াজ, ধনিয়া ইত্যাদি।

পাবনা জেলার প্রধান ফলমূল কিঃ আম, লিচু, জাম, কাঁঠাল, তরমুজ, নারিকেল, পেয়ারা, পেঁপে প্রভৃতি ।

পাবনা জেলার নদ-নদীঃ ৮টি, পদ্মা, যমুনা, ইছামতি, বড়াল, চিকনাই ইত্যাদি।

পাবনা জেলায় নদী বন্দর কয়টিঃ ৩টি।

পাবনা জে্লায় বিমান বন্দর কয়টিঃ ১টি (বর্তমানে চালু নেই ) ।

পাবনা জেলার খনিজ সম্পদঃ চলনবিল এলাকার কিছু অংশে পিট কয়লা পাওয়া যায়।

পাবনা জেলার পত্র পত্রিকাঃ পাবনার খবর, পাবনার আলো, নুতন বিশ্ববার্তা, দৈনিক বিবৃতি,দৈনিক বিশ্ববার্তা, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক সংগ্রাম ইত্যাদি।

পাবনা জেলার জেলা প্রশাসকঃ আপডেট জেনে নিবেন।

পাবনা জেলার নামকরণ

‘পাবনা’ নামকরণ নিয়ে অনেকগুলো কিংবদন্তী রয়েছে। এক কিংবদন্তী মতে গঙ্গার ‘পাবনী’ নামক পূর্বগামিনী ধারা হতে পাবনা নামের উৎপত্তি হয়েছে। অপর একটি সূত্রে জানা যায়, ‘পাবন’ বা ‘পাবনা’ নামের একজন দস্যুর আড্ডাস্থলই এক সময় পাবনা নামে পরিচিতি লাভ করে। অপরদিকে কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন, ‘পাবনা’ নাম এসেছে ‘পদুম্বা’ থেকে। ‘পদুম্বা’ জনপদের প্রথম সাক্ষাৎ মেলে খ্রিস্টীয় একাদশ শতকে পাল নৃপতি রামপালের শাসনকালে। ইতিহাসে উল্লেখ আছে, রামপাল হৃতরাজ্য বরেন্দ্র কৈবর্ত শাসকদের নিকট থেকে পুনরুদ্ধারের জন্য যে চৌদ্দজন সাহায্যকারীর শরণাপন্ন হয়েছিলেন – এঁদেরই একজন ছিলেন পদুম্বার সোম নামক জনৈক সামন্ত। আবার অনেকের মতে, পৌণ্ড্রবর্ধন হতে পাবনা নামের উৎপত্তি হয়েছে। পৌণ্ড্রবর্ধনের বহু জনপদ গঙ্গার উত্তর দিকে অবস্থিত ছিল। চলতি ভাষায় পুণ্ড্রবর্ধন বা পৌণ্ড্রবর্ধন পোনবর্ধন বা পোবাবর্ধন’ রূপে উচ্চারিত হতে হতে পাবনা হয়েছে। সাবেক পাবনা (সিরাজগঞ্জ জেলাসহ) জেলারূপে গঠিত এলাকাটি প্রাচীন যুগে পূর্ব ভারতের বঙ্গ ও পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অংশ ছিল ।

পাবনা জেলার ঐতিহ্যঃ লোক সঙ্গীত, লোকগাঁথা, লোকনৃত্য, কৌতুক, নকশা, পালাগান, বস্ত্র শিল্প, শাড়ি ও লুঙ্গী, তেল কল (কুলু সম্প্রদায়), হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, মানসিক হাসপাতাল ইত্যাদি। দর্শনীয় স্থান :

পাকশীস্থ হার্ডিঞ্জ ব্রিজ: ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী গ্রামে বাংলাদেশের রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে বিভাগীয় হেডকোয়ার্টার অবস্থিত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রেলওয়ে ব্রিজ হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। এছাড়াও পাকশী একটি প্রধান ব্রডগেজ রেলওয়ে স্টেশন।

এছাড়াও রয়েছে চাটমোহরে সম্রাট আকবরের স্মৃতি বিজড়িত মাসুম খাঁ কাবলীর শাহী মসজিদ, জোড়বাংলা মন্দির, তাড়াশ জমিদার ভবন, হেমায়েতপুরের শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎসঙ্গ (আশ্রম-মন্দির), ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হেমায়েতপুরের মানসিক হাসপাতাল, ঈশ্বরদী উপজেলার লালনশাহ সেতু, রূপপুর পরমাণু শক্তি প্রকল্প, ঈশ্বরদী বিমান বন্দর, ঈশ্বরদী ডাল গবেষণা কেন্দ্র, ঈশ্বরদী ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঈশ্বরদী রেল জংশন, ঈশ্বরদী ইপিজেড, ফরিদপুরের রাজবাড়ি, ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত পাবনা এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, উপমহাদেশের বরেণ্য নানা গুণীজনের আগমনের স্মৃতিঘেরা বনমালী ইনস্টিটিউট, জোড় বাংলো, দুলাইয়ে আজিম চৌধুরীর জমিদার বাড়ি, ভাড়ারার শাহী মসজিদ, নর্থ বেঙ্গল পেপার নগরবাড়ি/ নটাখোলা ঘাট, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল প্রভৃতি। মিলস্, পাবনা সুগার মিল্স, কৃষি ফার্ম,

 

পাবনা জেলার পুরাকীর্তি

শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎসঙ্গ (আশ্রম-মন্দির) : পাবনা শহরের সন্নিকটে হেমায়েতপুর গ্রামে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের সৎসঙ্গটি (আশ্রম-মন্দির) অবস্থিত। অনুকূল চন্দ্রের পিতা-মাতার স্মৃতিরক্ষার্থে এই মন্দির নির্মিত। অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ’ নামে এ জনহিতকর সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে। গেছেন। এখানে অনুকূল চন্দের জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

পাবনা জেলার বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব

এ.কে. খন্দকার: এয়ার ভাইস মার্শাল এ. কে. খন্দকার (আব্দুল করিম খন্দকার) বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে উপ-প্রধান সেনাপতি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তীকালীন সময়েও তিনি মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

প্রমথ চৌধুরী (আগস্ট ৭, ১৯৬৮ সেপ্টেম্বর ২, ১৯৪৬) তাঁর পৈত্রিক নিবাস ছিল পাবনা জেলার হরিপুর গ্রামে। তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল। তাঁর সম্পাদিত ‘সবুজপত্র’ বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি প্রবর্তনে আগ্রণী ভূমিকা পালন করে। তাঁরই নেতৃত্বে বাংলা সাহিত্যে নতুন গদ্যধারা সূচিত হয়

এছাড়াও রয়েছেন সাহিত্যিক বন্দে আলী মিয়া (কাব্যগ্রন্থ: ময়নামতির চর, অনুরাগ) ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল, বিখ্যাত অভিনেত্রী সুচিত্রা সেন, ড. এ. বি. মীর্জা আজিজুল ইসলাম, আৰু নাইম মোহা. মোস্তফা কামাল খান লোহানী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী-শিল্পপতি ও স্কয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ চৌধুরী প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক: আমজাদ হোসেন এমএনএ, আব্দুর রব বগা মিয়া, এ্যাডভোকেট আমিন উদ্দিন, এ্যাডভোকেট আমজাদ হোসেন, ওয়াজ উদ্দিন খান, এ্যাডভোকেট গোলাম আলী কাদেরী, নবাব আলী মোল্লা, ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম বকুল, পাবনার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধান ইকবাল হোসেন, আব্দুস ছাত্তার লালু, সোহরাব উদ্দিন সোবা, রিদ্দিক আলী, বেবী ইসলাম প্রমুখ।

পাবনা জেলার বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা:

  • পাবনার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধান ইকবাল হোসেন
  • কমান্ডার আনোয়ার হোসেন রেনু
  • এফএফ কমান্ডার ওয়াসেফ আলী
  • আশরাফ আলী, জহুরুল হক
  • সিরাজুল ইসলাম মন্টু
  • সদরুল হক সুধা
  • আজমল হক বিশ্বাস
  • নুরুজ্জামান বিশ্বাস
  • শামছুর রহমান শরিফ ডিলু
  • মোজাম্মেল হক ময়েজ
  • এস.এম মোজাহারুল ইসলাম
  • চঞ্চল
  • আসলাম
  • মকছেদুর রহমান প্রমুখ।

অন্যান্য ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে পাবনার জেলা প্রশাসক ছিলেন নুরুল কাদের খান।

 

সংসদীয় আসন- ৫টি।

৬৮-পাবনা-১,বেড়া উপজেলার বেড়া পৌরসভা, হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেঙ্গা, চাকলা ও কৈটোলা ইউনিয়ন এবং সাঁথিয়া উপজেলা।

৬৯-পাবনা-২, সুজানগর উপজেলা এবং বেড়া পৈরসভা, হাটুরিয়া নাকালিয়া,নতুন ভারেঙ্গা, চাকলা ও কৈটোলা ইউনিয়ন ব্যতীত বেড়া উপজে্লা।

৭০-পাবনা-৩,চাটমোহর, ভাংগুড়া ও ফরিদপুর উপজে…

৭১-পাবনা-৪,আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী উপজেলা।

৭২-পাবনা-৫, পাবনা সদর উপজেলা।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button