চুয়াডাঙ্গা জেলার সকল তথ্য (যে কোন পরিক্ষার জন্য)

চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিচিতি

চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিচিতি

চুয়াডাঙ্গা জেলা কোন  নদীর তীরে আবস্থিতঃ মাথাভাঙ্গা।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিষ্ঠা হয় কবেঃ ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দের ২৬ ফেব্রুয়ারি।

চুয়াডাঙ্গা মহকুমা প্রতিষ্ঠা হয় কবেঃ ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে।

চুয়াডাঙ্গা জেলার আয়তন কতঃ ১.১৭০.৮৭ বর্গ কিলোমিটার।

চুয়াডাঙ্গা জেলার সীমানাঃ পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলা, উত্তর-পশ্চিমে মেহেরপুর জেলা, উত্তর-পূর্বে কুষ্টিয়া জেলা এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্বে ঝিনাইদহ জেলা ।

চুয়াডাঙ্গা জেলা ভৌগোলিক অবস্থানঃ ২৩°৩৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৪৯ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত এই জেলার জীবননগর থানার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলার বার্ষিক গড় তাপমাত্রাঃ সর্বোচ্চ ৪০.১° সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ৮.২° সেলসিয়াস ।

চুয়াডাঙ্গা জেলা বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতঃ ১৪৬৭ মিলিমিটার।

চুয়াডাঙ্গা জেলার উপজেলা : ৪টি; চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর ।

চুয়াডাঙ্গা জেলায় থানা কতটিঃ ৪টি।

চুয়াডাঙ্গা জেলায় পৌরসভা কতটিঃ ৪টি: চুয়াডাঙ্গা, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর ।

চুয়াডাঙ্গা জেলায় ইউনিয়ন কতটিঃ ৩৫টি।

চুয়াডাঙ্গা জেলার পোস্ট কোড কতঃ ৭২০০।

চুয়াডাঙ্গা জেলার এন ডব্লিউ ডি কোড কতঃ ০৭৬১।

ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার দূরত্ব কতঃ সড়ক পথে ২৬৭ কি. মি. ও রেলপথে ৪৮ কি.মি. ।

চুয়াডাঙ্গা জেলা্র জনসংখ্যা কতঃ ১১,২৯,০১৫ জন (২০১১ খ্রিস্টাব্দের আদমশুমারী অনুযায়ী)।

চুয়াডাঙ্গা জেলায় জনসংখ্যার ঘনত্ব কতঃ ৯৬০ জন (প্রতি বর্গ কি.মি.) ।

চুয়াডাঙ্গা জেলায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কতঃ ১.১৩%

চুয়াডাঙ্গা জেলায় শিক্ষার হার কতঃ ৪৫.৯%

চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রধান ফসলঃ ধান, পাট, পান, আখ, ভুট্টা ইত্যাদি ।

চুয়াডাঙ্গা জেলার নদ-নদীঃ মাথাভাঙ্গা, ভৈরব, কুমার, চিত্রা, নবগঙ্গা ইত্যাদি।

চুয়াডাঙ্গা জেলারঃ পত্র পত্রিকা দৈনিক মাথাভাঙ্গা, দৈনিক আমাদের সংবাদ, দৈনিক প্রতিদিনের নতুন খবর ইত্যাদি।

চুয়াডাঙ্গা জেলার জেলা প্রশাসকের নাম কিঃ

চুয়াডাঙ্গা জেলার খনিজ সম্পদঃ খনিজ সম্পদ উল্লেখযোগ্য কোন খনিজ সম্পদ নেই।

চুয়াডাঙ্গা জেলা নামকরণ হয় কিভাবে

জনশ্রুতি আছে যে, চুয়া মানিক নামক একজন পার্সিয়ান ব্যবসায়ী এ অঞ্চলে এসে বসবাস ও ব্যবসা শুরু করেন এবং ক্রমান্বয়ে তার ব্যবসার সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পার্সিয়ান এ ব্যবসায়ী চুয়া মানিকের নামানুসারে এ জেলার নাম হয় চুয়াডাঙ্গা ।

চুয়াডাঙ্গা জেলার ঐতিহ্য

লালনগীতি
জারীগান
ভাসানগান
ঝাপন ও মনসার গান
যাত্রা
কবিগান
গাজীর গান
গাজনের গান
মেয়েলী গীত
গাস্বি উৎসব
নবান্ন
বৃষ্টি আবাহন
পুতুল নাচ
হিজড়া নাচ ইত্যাদি ।

চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনীয় স্থান

দর্শনার কেরু এন্ড কোং, জীবননগর উপজেলার ধোপাখালী সীমান্তের জিরো পয়েন্টে মুক্তিযোদ্ধা গণকবর, উথলী ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামে শরৎচন্দ্রের স্মৃতি বিজড়িত কাশীপুর জমিদার বাড়ি, দৌলতদিয়ায় শিয়েল পীরের মাজার, আলমডাঙ্গা উপজেলার জেহালা ইউনিয়নে পি.টি.আই (Primary Training Institute), আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন, আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি, পড়াইটুপি অমরাবতী মেলা, নুরনগর কলোনী মাঠ পাড়ার ছোট রাস্তা প্রভৃতি।

চুয়াডাঙ্গা জেলার পুরাকীর্তি

চুয়াডাঙ্গা উপজেলার ঠাকুরপুর মসজিদ, আলমডাঙ্গা উপজেলার জামজামি মসজিদ, নবাব আলীবর্দী খানের আমলে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিওরবিলা গ্রামে নির্মিত তিওরবিলা মসজিদ, শ্রী শ্রী সত্যনারায়ণ মন্দির প্রভৃতি।

চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

সোলায়মান হক জোয়াদ্দার (ছেলুন), অতুলকৃষ্ণ সাহা, ডঃ রাধা বিনোদ পাল,জানকী নাথ ঘোষাল, অনন্তহরি মিত্র, মোঃ আলী আজগর (টগর), কালী প্রসন্ন চট্টোপাধ্যায়, অমিয়কুমার রায়, খোদাবকস্ শাহ, সাবিত্রী প্রসন্ন চট্টোপাধ্যায়, বীরোত্তম আকরাম আহমেদ, কালি প্রসন্ন চট্টোপাধ্যায়, নফর চন্দ্র পাল চৌধুরী, আসহাব-উল-হক, অশোক কুমার, ইউনুস আলী এ্যাডভোকেট, স্বর্ণকুমারী দেবী, ইসলাম উদ্দীন মালিক, এম, ইব্রাহিম, শ্রীহরি রায়, ফিরোজ বারী মালিক, এম. এ. বকর প্রমুখ। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক; মহকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডাঃ আসহাব-উল হক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইউনুস আলী, ব্যারিস্টার বাদল রশীদ প্রমুখ।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা
  • পিন্টু
  • হাসান
  • খোকন
  • কাশেম
  • রবিউল
  • রওশন
  • তারিক
  • আফাজউদ্দিন প্রমুখ।

অন্যান্য: মুক্তিযুদ্ধের সময় চুয়াডাঙ্গায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশ রেডক্রস (বর্তমান রেডক্রিসেন্ট) গঠন

 সংসদীয় আসন- ২টি ।

৭৯-চুয়াডাঙ্গা-১,তিতুদহ ও বেগমপুর ইউনিয়ন ব্যতীত চুয়াডাঙ্গা সদর আলমডাঙ্গা উপজেলা

৮০-চুয়াডাঙ্গা-২,দামুড়হুদা, জীবননগর উপজেলা এবং চুয়াডাঙ্গা সদরের তিতুদহ ও বেগমপুর ইউনিয়ন।

৩০৯,সংরক্ষিত মহিলা আসন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button